ঢাকা: তার বিরুদ্ধে পুরোনো অভিযোগ তিনি সচিবালয়ে আসেন না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সোমবার জনপ্রশানসন মন্ত্রণালয়ে এলেন। মন্ত্রণালয়ে বেশ কিছুক্ষণ থেকে তিনি যোগ দেন মন্ত্রিসভায়। এসময় তিনি ছিলেন ফুুরফুরে মেজাজে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়ার পর ঈদের আগেই তিন লন্ডন চলে যেতে চেয়েছিলেন। এরপর স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বেশ কয়েক দফা বৈঠকে উদ্বেগ কেটে যায় তার ।
আশরাফ জনপ্রশাসনের দায়িত্ব পান। এ মন্ত্রণালয় ছিল প্রধানমন্ত্রীর অধীনে। সোমবার মন্ত্রিসভায় তিনি বেশ হাসিখুশি মেজাজে বেশ সক্রিয় ছিলেন। বিভিন্ন বিষয়ে তিনি তার বক্তব্য রাখেন। সরকারকে বুদ্ধি পরামর্শ দেন। এক অনির্ধারিত আলোচনায়, তিনি জ্বালানি তেলের দাম যাতে কমানো সম্ভব হয় সেজন্যে আধুনিক প্রযুক্তি আনার কথাও বলেন। এ পর্যায়ে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশই প্রযুক্তিগত উন্নয়ন করে জ্বালানি তেল কম দরে রাখতে পারছে। বাংলাদেশকেও সে পথ অনুসরণ করা উচিত।
এরপর মন্ত্রিসভা শেষ হলে তিনি পুরোনো অভ্যাসমত স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। উপস্থিত সাংবাদিক ও কর্মচারীরা তাকে তার মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তনের কথা মনে করিয়ে দিলে সৈয়দ আশরাফ তার ভুল বুঝতে পারেন এবং পথ পরিবর্তন করে স্মিত হাসি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দিকে অগ্রসর হন।আস